কাল যারা বাইরে কাজে বের হবেন তারা সাবধান, জানুন আবহাওয়া অফিস কি বলছে

যারা বাইরে কাজে বের হবেন- আশ্বিনের প্রথম দিনেই তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে রাজধানীর জনজীবন। বাতাসে আর্দ্রতা থাকলেও রোদের তীব্রতায় গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামি দুইদিন এ তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে,  (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশের তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। যা আগামি দুইদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যে, রবিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.২ ডিগ্রি সেলিসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এটিএম নাজমুল হুদা জানান, ঢাকায় সর্বোচ্চ ৩৫.২ ও সর্বনিম্ন ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির এই প্রবণতা আরো দুইদিন অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছুকিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে সকাল থেকে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন রাজধানীবাসী। ফার্মগেট এলাকার বাসিন্দা আবুল খায়ের বলেন, আসলে মানুষের চাপে ঢাকার তাপমাত্রা এমনিতেই বেশি।

আর এর মধ্যে তাপমাত্রা যখন বৃদ্ধি পায় তখন ঢাকার জীবন অস্বাভাবিক হয়ে উঠে। তিনি বলেন, আজ গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত আসতে সাড়ে তিনঘণ্টা সময় লেগেছে। এই গরমের মধ্যে কী রকম অসহ্য লেগেছে, তা বলে বোঝানো যাবে না।

চা খাওয়ানোর কথা বলে ৭০ বছরের ভিক্ষুককে ধর্ষণ

চা খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে ৭০ বছরের বৃদ্ধা ভিক্ষুককে ধর্ষণ করেছে দুর্বৃত্তরা। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত,সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটেছে বর্ধমানে। বর্তমানে ৭০ বছর বয়সী ওই বৃদ্ধা বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

জানা যায়, ট্রেনে ও স্টেশনে ভিক্ষা করেই রোজগার ছিল নির্যাতিতার। অভিযোগ উঠেছে, খাবার খেতে দেওয়ার নাম করেই তাকে কেউ বা কারা ডেকে নিয়ে যায়। ধর্ষণের পর দুষ্কৃতীকারীরা তাকে বর্ধমান রেল স্টেশন চত্বরে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়।পরীক্ষায় শারীরিক নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টেশন চত্বরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন বৃদ্ধা। আর্তনাদের আওয়াজ শুনেই স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে আসেন।

পরে তারা আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান তারা।কিন্তু হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তারা। এরপর চিকিৎসকরাই ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে তার চিকিৎসা শুরু করেন।

এই ঘটনায় বর্ধমান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

মিথ্যা যৌতুক মামলা করলে পাঁচ বছরের জেল

যৌতুক গ্রহণ কিংবা যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা করলে পাঁচ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে। এছাড়া যৌতুক প্রদান, গ্রহণ বা যৌতুকে সহায়তা বা চুক্তি করলেও একই সাজা হবে। এমন বিধান রেখে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি ‘যৌতুক নিরোধ বিল-২০১৮’ নামের বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এর আগে বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ২৫ জুন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ওই বিলটি উত্থাপনের পর তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯৮০ সালের এ সংক্রান্ত আইন বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নে বিলটি তোলা হয়। ১৯৮০ সালের ওই আইন ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে অধ্যাদশের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়। আগের আইনে যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার জন্য কোনো দণ্ডের বিধান ছিল না।

সংসদে পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, কাউকে ক্ষতি করার জন্য যৌতুকের মামলা বা অভিযোগ করলে ৫ বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

যদি বিয়ের কোনো এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য পক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করে, তবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর, কিন্তু সর্বনিম্ন এক বছরের জেল বা ৫০ হাজার টাকার জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে আরো বলা হয়েছে, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য হবে। তবে এসংক্রান্ত মামলা আপসযোগ্য হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে যৌতুক প্রথা এক ভয়ানক সমস্যা। এর কারণে অনেক সময় আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, পরিকল্পনা, প্রণয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাধাগ্রস্ত হয়।

বর্তমানে নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতির ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় বিধি বিধান অনুযায়ী নারীসমাজকে তাদের সুযোগ-সুবিধা অধিকার প্রাপ্যতার বন্টনও করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*