প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন শাবানা আজমি

একজন পাবলিক ফিগার হয়ে ভুয়া খবর ছড়ানো একেবারেই উচিত হয়নি৷ তিনি নিজের ভুল পোস্টটি ডিলিট পর্যন্ত করেননি৷ সবাই এখনো ভুল খবরটাই পাচ্ছেন৷’ ‘এখন ক্ষমা চেয়ে কী হবে!’ ‘শাবানা আজমি, আপনি নিজের পোস্টটি ডিলিট করুন। সেটা না করে ক্ষমা চেয়ে কোনো লাভ নেই৷’ ‘আপনার আগের টুইট থেকে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে৷ পাবলিক ফিগার মানেই ক্ষমা চেয়ে চুপ করে গেলে চলবে না৷’ ‘সবটা না জেনে ভিডিওটি শেয়ার করা উচিত হয়নি৷’ দুদিন ধরে এমনই অসংখ্য মন্তব্য শুনতে হচ্ছে শাবানা আজমিকে। ক্ষমা চেয়েও তিনি রেহাই পাননি।

জানা গেছে, কয়েক দিন আগে শাবানা আজমি একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন অল্প বয়সী ছেলে অপরিষ্কার জায়গায় খাবারের প্লেট ধোয়ার কাজ করছে। যেখানে তারা এই কাজ করছে, তা একেবারেই নর্দমার মতো নোংরা। বলিউডের বরেণ্য এই অভিনেত্রী ও মানবাধিকারকর্মী তাঁর শেয়ার করা ভিডিওতে লিখেছেন, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যারা এই কাজ করছে, তারা রেলওয়ের কর্মী৷ তিনি দেশের রেলমন্ত্রীকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি ভিডিওটি রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে ট্যাগ করেন৷

কিন্তু পরে জানা যায়, শাবানা আজমির অভিযোগ মোটেও ঠিক নয়। তিনি যে ভিডিও শেয়ার করেছেন, তা মালয়েশিয়ার একটি রেস্তোরাঁর। আর ছবিতে যাদের দেখা গেছে, তারা সেই রেস্তোরাঁর কর্মী। গত মঙ্গলবার রাতে রেলওয়ে মন্ত্রণালয় থেকে টুইটারে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। তাতে ব্যাপারটি পরিষ্কার করা হয়। নিজের ভুল বুঝতে পেরে শাবানা আজমি দুঃখ প্রকাশ করেছেন। রেলমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন৷ তাতে তিনি উল্লেখ করেন, তিনি যে সূত্র থেকে খবরটি পেয়েছিলেন, সেখানে লেখা ছিল এই লোকগুলো রেলওয়ে কর্মী৷

প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েও রক্ষা পাননি শাবানা আজমি। এরপর উত্তাল হয়ে ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ট্রোলিংয়ের বৃষ্টি শুরু হয় তাঁর টুইটারের টাইমলাইনে৷ কারণ ভুল স্বীকার করলেও নিজের ভুল পোস্টটি ডিলিট করেননি তিনি।

তবে কেউ কেউ আবার দাঁড়িয়েছেন শাবানা আজমির পাশে৷ তাঁদের মতে, ‘বিষয়টি এড়িয়ে গেলে চলবে না৷ দেশের এমন অনেক খাবারের জায়গা রয়েছে, যা খুবই নোংরা৷ সরকারকে এ ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে৷’ খালিজ টাইমস, এনডিটিভি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*